প্রবাস টাইম
ঢাকারবিবার , ১৭ অক্টোবর ২০২১
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ওমান
  5. করোনা আপডেট
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. খোলা কলম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. জানা অজানা
  12. জীবনের গল্প
  13. ধর্ম
  14. প্রতিনিধি
  15. প্রবাস
প্রবাসীর ট্যাক্সি | Probashir Taxi
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিমানবন্দরে প্রবাসীদের টার্গেট করে অপহরণ

প্রতিবেদক
ডেস্ক রিপোর্ট
অক্টোবর ১৭, ২০২১ ২:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

প্রবাস ফেরত কর্মীদের টার্গেট করা হয় বিমানবন্দরে নামার পরই। গাড়ির জন্য অপেক্ষায় থাকা প্রবাসীদের গাড়ি দিয়ে সহযোগিতার নামে গাড়িতে তুলে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়। আবার কখনও সখ্যতা গড়ে চক্রের সদস্যরা টার্গেট করা প্রবাসীদের চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে অজ্ঞান করে ঢাকার বাইরে ফেলে দেয়। লুট করা হয় সঙ্গে থাকা সব মালামাল।

রাজধানীর বিমানবন্দর কেন্দ্রিক সম্প্রতি সংঘটিত দুটি ডাকাতির ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সন্ধান পায় ডিএমপির গোয়েন্দা উত্তর বিভাগ। গ্রেফতার করা হয় চক্রের তিন সদস্যকে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. মাসুদুল হক আপেল, আমির হোসেন হাওলাদার ও মো. শামীম। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন মীরবাগ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

তাদের কাছ থেকে ৫টি পাসপোর্ট, দু’টি এনআইডি কার্ড, দু’টি এটিএম কার্ড, একটি আইপ্যাড, একটি ওয়ার্ক পারমিট কার্ড, একটি বিএমইটি কার্ড, একটি অফিস আইডি কার্ড,, একটি স্টিলের চাকু ও নগদ ৫৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

আজ রোববার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবি’র অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, প্রবাসীদের টার্গেট করে বিমানবন্দর কেন্দ্রিক অর্ধশতাধিক ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণের পর মালামাল লুটের ঘটনা ঘটলেও মামলা হয়েছে মাত্র সাতটি। দ্রুত বিদেশ ফিরে যাওয়ার তাড়া থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীরা ঝামেলা মনে করে মামলা করছেন না।

তিনি বলেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর মো. লিটন সরকার নামে এক প্রবাসী মিসর থেকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে বাংলাদেশে আসেন। তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে গোলচত্ত্বরে ফুটওভার ব্রিজের নিচে এসে বাসার উদ্দেশে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করেন।

এ সময় অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন লোক ধারালো চাকু দিয়ে ভয় দেখিয়ে তার সঙ্গে থাকা হ্যান্ডব্যাগ ও লাগেজ নিয়ে চলে যায়। হ্যান্ডব্যাগ ও লাগেজে থাকা তার একটি পাসপোর্ট, মিসরের ভিসা, বিমানের টিকিট, আট আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, দু’টি মোবাইল সেট, একটি স্মার্ট কার্ডসহ নগদ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

পরবর্তীতে ডাকাত দলের সদস্যরা তাকে ঘটনাস্থল থেকে একটি বাসে তুলে ঘটনার বিষয়ে কাউকে কোনো কিছু না জানানোর জন্য ভয়-ভীতি দেখায়। এই ঘটনায় গত ১৫ অক্টোবর বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা হয়। অন্যদিকে ৫ অক্টোবর ব্রিটেন থেকে ঢাকায় নামেন ওমর শরিফ। নাটোরের বড়াইগ্রাম যাওয়ার সময় বিমানবন্দর এলাকা থেকে অপহৃত হন তিনি। তাকে ঢাকার বাইরে নামিয়ে দেওয়া হলেও তার পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় সব মালামাল লুট করা হয়।

 

পৃথক ঘটনায় মামলা হলে তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগ। গোয়েন্দা তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতির ঘটনায় সম্পৃক্ত চক্রের ওই তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রবাসীরা ঠিক কী কী কারণে ছিনতাইকারী চক্রের টার্গেট হচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে হাফিজ আক্তার বলেন, চক্রের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, বিমানবন্দর কেন্দ্রিক তারা গত এক বছরেই অর্ধশতাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়েছে। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া যায়। চক্রের মূলহোতা মাসুদুলের বিরুদ্ধেই রয়েছে সাতটি মামলা


হাফিজ আক্তার বলেন, প্রবাসীদের টার্গেট করে চক্রটি ৫০ থেকে ৬০টি ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণের পর মালামাল লুটের ঘটনা ঘটিয়েছে। কিন্তু এ সংক্রান্ত মাত্র হয়েছে সাতটি। দ্রুত বিদেশ ফিরে যাওয়ার তাড়া থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীরা ঝামেলা মনে করে মামলা করছেন না।

আবার ১০ থেকে ১৫ দিনের জন্য বাংলাদেশে ঘুরতে আসা বিদেশিরাও দ্রুত পাসপোর্ট তুলে ফিরে যাচ্ছেন যে কারণে ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা কম হচ্ছে। আর এই সুযোগটাই নিয়েই সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র বিমানবন্দর কেন্দ্রিক প্রবাসী ও বিদেশিদের টার্গেট করে ছিনতাই ডাকাতির ঘটনা ঘটাচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে হাফিজ আক্তার বলেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বিদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণ বিদেশি ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা আসছেন। বিমানবন্দর কেন্দ্রিক ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলো দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। ভাড়া করা গাড়ি ব্যবহার করে এসব করা হচ্ছে। চক্রের সদস্যরা কাদের গাড়ি ভাড়া নিচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হবে।

এদিকে প্রবাসীদের শতভাগ নিরাপত্তা এবং সম্মানের সাথে এয়ারপোর্ট থেকে বিদেশ ফেরত কর্মীদের সম্মিলিত উদ্যোগে বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে “প্রবাসীর ট্যাক্সি” নামে একটি প্রতিষ্ঠান। দেশের সর্বনিম্ন ভাড়ায় এবং মর্যাদার সাথে এয়ারপোর্ট থেকে প্রবাসীদের নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেন তারা।

এখন পর্যন্ত তাদের (প্রবাসীর ট্যাক্সির) সেবা নিয়ে শতভাগ ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন যাত্রীরা। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে প্রবাসীর ট্যাক্সি নিয়ে একদম দুশ্চিন্তা মুক্ত নিজ গন্তব্যে যেতে পারবেন প্রবাসীরা। বুকিংয়ের জন্য নিম্নের নাম্বারে যোগাযোগ করুন: +880 1321-199022

 

প্রবাসীর ট্যাক্সি সম্পর্কে আরো জানুনঃ

প্রবাস টাইম সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।