প্রবাস টাইম
বাংলাদেশবৃহস্পতিবার , ২৮ এপ্রিল ২০২২
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমেরিকা
  5. ইউরোপ
  6. এশিয়া
  7. ওমান
  8. করোনা আপডেট
  9. কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. খোলা কলম
  12. চাকরি
  13. জাতীয়
  14. জানা অজানা
  15. জীবনের গল্প
 
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মসজিদে জমি দিয়েছেন হিন্দু ,শ্মশানে মুসলমান

মিসবাহ রবিন
এপ্রিল ২৮, ২০২২ ২:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় মসজিদের জন্য এক হিন্দু অধ্যাপক আর শ্মশানের জন্য এক মুসলমান রাজনীতিবিদ জমি দান করে প্রশংসিত হয়েছেন। জমিদাতা দুজন হলেন ফকিরহাট আজহার আলী ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক প্রণব কুমার ঘোষ এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ফকিরহাট উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মিজানুর রহমান।

LULU

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফকিরহাট বিশ্বরোড সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন কোনো মসজিদ ছিল না। স্থানীয় মুসল্লিরা অনেক দূরের মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতেন। মুসলমানদের এই সমস্যার সমাধানে ২০০৯ সালে মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় মসজিদ নির্মাণের জন্য ৩৫ শতক জমি দেন ফকিরহাট কাজি আজহার আলি কলেজের সহকারী অধ্যাপক প্রণব কুমার ঘোষ।

মসজিদে জমি দিয়েছেন হিন্দু ,শ্মশানে মুসলমান

মসজিদে জমি দিয়েছেন হিন্দু ,শ্মশানে মুসলমান

অন্যদিকে ৩ বছর আগে একই এলাকায় ভৈরব নদের গর্ভে বিলীন হয়ে যায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শ্মশান। ফলে মরদেহের শেষকৃত্য করতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। এই অবস্থায় ফকিরহাট উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মিজানুর রহমান শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় জমি প্রদান করেন। তবে কতটুকু জমি দিয়েছেন তা জানাতে রাজি হননি তিনি।

PK Remittance

অধ্যাপক প্রণব কুমার ঘোষ বলেন, আমরা হিন্দু-মুসলমান পরস্পর সহমর্মিতা নিয়ে বসবাস করি। আমাদের মধ্যে কখনো দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়নি। এখানে মুসলমান ভাইদের জন্য মসজিদ ছিল না। তখন এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলি। আমি প্রথমে অল্প কিছু জমি প্রদান করি। পরবর্তীতে এখানে নারীদের নামাজের স্থান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে লিল্লাহ বোর্ডিং করারও পরিকল্পনা মসজিদ কমিটির রয়েছে। পাশাপাশি আমাদের এক মুসলমান ভাই শ্মশানের জন্য জমি দান করেছেন। আমি আশা করি আমাদের এই বন্ধন চির-অটুট থাকবে।

friendi mobile

শেখ মিজানুর রহমান বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে আমরা বড় হয়েছি। কয়েক বছর আগে ভৈরব নদ পুনঃখননের কারণে প্রায় ২০০ বছরের শ্মশানটি বিলীন হয়ে যায়। ফলে হিন্দু ভাই-বোনদের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছিল। আমি অন্য ধর্মের লোক হলেও তাদের এই সমস্যা আমার অনুভূতিতে আঘাত করে। তখন নদের পাশে থাকা আমার জায়গা আমি শ্মশানের জন্য উৎসর্গ করি।

‘পিস ইভেন্ট’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁদেরকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়

পিস ইভেন্ট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁদেরকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়

ধর্মীয় সম্প্রীতির এ দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য তাঁদের পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। উপজেলার সাউদা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত দি হাঙ্গার প্রজেক্টের সহযোগিতায় ‘পিস ইভেন্ট’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁদেরকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

 

আরো পড়ুন:

সবাই আমার স্ত্রীকে চোরের বউ বলে আমাকে জামিন দেন

প্রবাসী বন্ডে কমছে মুনাফার হার

প্রবাসীদের মাঝে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া শুরু

 

আরো দেখুনঃ

প্রবাস টাইম সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।